গোলাম পরোয়ার সাঈদী জীবনী Golam parwar sayedi

গোলাম পরোয়ার সাঈদী একজন সুপরিচিত ইসলামিক আলোচক। সুন্দর সাবলীল ভাষায় দ্বীনের খেদমত করছেন ২০১০ সাল থেকে। সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করায় ছোট বেলা থেকেই ইসলামের প্রতি আকৃষ্টতা। বাল্যকাল থেকেই তাঁর মধ্যে নেতৃত্যের গুনাবলী থাকায় এলাকা ভিত্তিক বহু সামাজিক কর্মকান্ডের সাথে যুক্ত ছিলেন।  তিনি আড়াইবাড়ী আজগরীয়া হেফজ খানা ও জিলানীয়া নুরানী মাদরাসার মুহতামিমের দায়িত্ব পালন করছেন এবং তাফসীর বিভাগ কুমিল্লার সহকারী সেক্রেটারি হিসাবে অতি নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।  জনপ্রিয় আলোচক মিজানুর রহমান আজহারী তাঁর পরিবারের সাথে আত্নিয়তা করেছেন। সম্পর্কে মিজানুর রহমান আজহারীর আপন মামা শশুর।

তিনি বাবার প্রতিষ্ঠিত শিকারপুর দারুল কোরআন জিলানী আলিম মাদরাসা নিমসার বুড়িচং, মাদরাসা প্রধান উপদেষ্টা, মাদরাসার দুইদি ব্যাপী মাহফিলের সভাপত্বিত করেন।

জন্মঃ গোলাম পরোয়ার সাঈদী বাংলাদেশ ঐতিহ্যবাহী পীর বংশ আড়াবাড়ী কুমিল্লা জন্মগ্রহন করেন ১৯৮৬ সালে। পিতা আড়ীবাড়ী দরবার শরীফ প্রিন্সিপাল মাও:গোলাম সাদেক সাঈদী (রহ:) পীরসাহেব। মাতা জাহানারা বেগম।

 

 

শিক্ষাজীবন: প্রাথমিক শিক্ষা জীবনে তিনি ঢাকার তা’মিরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসায় লেখাপড়া করেন। ৯ম শ্রেণী থেকে জন্মভূমি কুমিল্লার ইসলামিয়া কামিল মাদরাসায় পড়ালেখা করেন। সেখান থেকে তিনি কৃতিত্বের সাথে দাখিল , আলিম, ফাজিল ও  কামিল ২০১০ (তাফসির)  সম্পন্ন করেন। পাশাপাশি কুমিল্লার কাসেম উলুম কওমি মাদরাসা থেকে কিতাব শাস্ত্রে পান্ডিত্ব অর্জন করেন।

দাম্পত্য জীবন ও পারিবার: গোলাম পরোয়ার সাঈদী ২০১৩ সালের ২৫ শে জুলাই কুমিল্লার একটি সম্ভ্রান্ত ইসলামিক পরিবারে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। শংকুচাইল সৈয়দবাড়ি বুড়িচং কুমিল্লা, বর্তমানে, দুইটি মেয়ে আছে। বর্তমানে তিন ভাই, তিন বোন, তিনি সবার ৫ জনের ছোট ভাই, ৬ নাব্বার ছোট বোন।

 

তরুণদের আইডল: ইসলাম ধর্মের অনুশাসন মেনে চলেও নিজেকে স্মার্টভাবে উপস্থাপন করা যায়, তা গোলাম পরোয়ার সাঈদীকে দেখলেই বোঝা যায়। তাই এ সময়ের যুবকরা তাকে খুবই পছন্দ করে। তার তাফসির মাহফিলে যুবকদের স্রোত দেখা যায়। তিনিও যুবকদের খুবই পছন্দ করেন। তাফসির মাহফিলে যুবকদের ভালো পথে চলার আহ্বান জানান।

জনপ্রিয়তা: খুব অল্প সময়ে সুললিত কণ্ঠে কুরআন-হাদিসের সহজ-সাবলীল আলোচনা করে অসংখ্য মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছেন। তার গবেষণাধর্মী আলোচনার কারণে তিনি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। তিনি বাংলা, আরবি, ইংরেজি ভাষায় দক্ষ। ২০১৯ সালে তিনি বাংলাদেশের সীমানা পেরিয়ে থাইল্যান্ড ও ভারতে  প্রোগ্রাম করেছেন।

উপার্জন: সোশ্যাল নেটওয়ার্কের মধ্যে তার একটি ফেসবুক আইডি ও একটি অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ ও ব্যক্তিগত ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে। মাসিক আয় সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে তাফসির মাহফিলে তিনি চুক্তিবদ্ধ হন না।  হাদিয়া হিসেবে যা পান তা-ই নিয়ে থাকেন। তিনি দেশের সকল অঞ্চলে তাফসির মাহফিল করেন।